'Pak played key role in Lanka's victory over Tamil Tigers'

২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কায় তামিল সন্ত্রাসীদের পতনের পর ভারতের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার শিরোনাম হয়েছিল এটি। সে সময়ে পাকিস্তান শ্রীলঙ্কাকে ২২টি অত্যাধুনিক আল খালিদ ট্যাঙ্ক প্রদান করেছিল, সাথে দিয়েছিল আড়াই লক্ষ মর্টার শেল ও দেড় লক্ষ হ্যান্ড গ্রেনেড। কলম্বোতে পাঠানো হয়েছিল পাকিস্তানের অভিজ্ঞ সেনা কর্মকর্তাদের। এর ফলেই খুব কম সময়ের মধ্যে তামিল সন্ত্রাসীদের পতন সম্ভব হয়। (http://bit.ly/2J7BICj)

এটি সবাই জানে যে, তামিল সন্ত্রাসীদের উৎপত্তিস্থল হচ্ছে ভারত। `র’ ভারতের বিভিন্ন স্থানে এসব তামিল সন্ত্রাসীদের ট্রেনিং সেন্টার খুলেছিল। এমনকি ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে হত্যা করেছিল ‘ধানু’ নামক যে মহিলা তামিল সন্ত্রাসী, সেও ছিল ভারতের নৈনিতালে ট্রেনিংপ্রাপ্ত। তামিল সন্ত্রাসীদের ফান্ড আসতো ইউরোপ-আমেরিকার বিভিন্ন হিন্দু মন্দির থেকে, যেখানে প্রবাসী তামিলরা এসব সন্ত্রাসীদের অর্থ সহায়তা দিত।

ভারতের এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্যই ছিল, শ্রীলঙ্কা যেন কখনোই অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হতে না পারে। অবশ্য শুধু শ্রীলঙ্কা নয়, নেপাল, ভূটান এমনকি বাংলাদেশও ভারতের এই ধ্বংসাত্মক নীতির শিকার। নেপাল ও ভূটানকে ভারত স্রেফ করদরাজ্যের মতো ব্যবহার করেছে। বাংলাদেশের আদমজী জুটমিলকে বন্ধ করা হয়েছিল ভারতের পাটশিল্পকে দাঁড় করানোর জন্য। যে কারণে এসব রাষ্ট্রগুলো এখন ভারতকে ত্যাগ করে চীনের বলয়ে প্রবেশ করেছে।

এই তামিলদের হামলার জেরে  শ্রীলঙ্কায় কোনো শিল্প-অর্থনৈতিক অবকাঠামো গড়ে উঠতে পারেনি।  সেই অচলাবস্থা থেকে শ্রীলঙ্কাকে বের করে এনেছিল পাকিস্তানের মতো একটি মুসলিম রাষ্ট্র, অথচ সেই মুসলমানদের বোরখা পরা এখন নিষিদ্ধ করছে শ্রীলঙ্কা সরকার। উল্লেখ্য, শুধু পাকিস্তান নয়, শ্রীলঙ্কার স্থানীয় মুসলমানরাও যুদ্ধকালীন সময়ে তামিল সন্ত্রাসীদের বিপক্ষে ছিল। যে কারণে ১৯৯০ সালে শ্রীলঙ্কার উত্তরাঞ্চল থেকে জোরপূর্বক মুসলমানদের বের করে দেয় তামিল সন্ত্রাসীরা। (http://bit.ly/2V4H88m)

মুসলমানদের ত্যাগ ও পাকিস্তানের সহযোগিতায় শ্রীলঙ্কা টিকতে পেরেছে, সুতরাং পাকিস্তানের এখানে দায়িত্ব রয়েছে শ্রীলঙ্কার ইসলামবিদ্বেষী পদক্ষেপকে ঠেকিয়ে দেয়ার। সবচেয়ে বড় কথা, এটি সবাইকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে হবে যে শ্রীলঙ্কার সন্ত্রাস দমনে মুসলমানদের কতোটুকু ভূমিকা ছিল। আর যেসব হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় মিডিয়া এখন শ্রীলঙ্কার জন্য কুম্ভীরাশ্রু ফেলছে, তারা যে শ্রীলঙ্কার ধ্বংস চায় এ বিষয়টিও প্রকাশ করা দরকার।

Next
This is the most recent post.
Previous
Older Post

Post a Comment

 
Top